মাধ্যমিক বাংলা

 

১. “আশ্চর্য হয়েছি, একটু ভয়ও পেয়েছি”– হরিদার কোন রূপ দেখে বক্তার এমন দশা হয়েছিল?– (ক) কাপালিক রূপ দেখে (খ) বাইজির রূপ দেখে (গ) পুলিশের সাজ দেখে (ঘ) বিরাগী রূপ দেখে

​২. গিরীশ মহাপাত্রের সাথে অপূর্বর দ্বিতীয়বার কোথায় দেখা হয়েছিল? – (ক) পুলিশ স্টেশনে (খ) জাহাজ ঘাটায় (গ) রেল স্টেশনে (ঘ) বিমানবন্দরে।

​৩. জামা অদলবদলের বুদ্ধি কার মাথায় এসেছিল? – (ক) ইসাবের (খ) অমৃতের (গ) কালিয়ার (ঘ) পাঠানের।

​৪. “আমাদের শিশুদের শব ছড়ানো রয়েছে _______।” – (ক) কাছে (খ) দূরে (গ) অনেক দূরে (ঘ) কাছে দূরে

​৫. “অস্ত্রের বিরুদ্ধে গান” কবিতায় কবি ‘অস্ত্র’ রাখতে বলেছেন – (ক) ঋষি বালকের পায়ে (খ) নদীতে (গ) দেশগাঁয়ে (ঘ) গানের দুটি পায়ে

​৬. ‘সমুদ্রনৃপতি সুতা’ – কে? – (ক) লক্ষ্মী (খ) পদ্মা (গ) উমা (ঘ) বারুণী।

​৭. শ্রীপান্থ প্রথম যে ফাউন্টেন পেনটি কিনেছিলেন তার নাম – (ক) জাপানি পার্কার (খ) জাপানি পাইলট (গ) ঝরনা কলম (ঘ) পার্কার পেন।

​৮. “ছিঁড়ে পত্র না ছাড়ে মসি”– ‘মসি’ কথার অর্থ কী? – (ক) মসনদ (খ) কালি (গ) কাগজ (ঘ) লোহা।

​৯. কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় পরিভাষা সমিতি নিযুক্ত করেছিল – (ক) ১৯৩৬ সালে (খ) ১৯৩৫ সালে (গ) ১৯৪৭ সালে (ঘ) ১৯৪৬ সালে।

​১০. যে কর্তা অন্য কাউকে দিয়ে কাজ করায় – (ক) উক্ত কর্তা (খ) প্রযোজক কর্তা (গ) উহ্য কর্তা (ঘ) প্রযোজ্য কর্তা।

​১১. অনুসর্গ মাত্রই – (ক) প্রত্যয় (খ) সর্বনাম (গ) ধাতু (ঘ) অব্যয়

​১২. বুড়ো মানুষের কথাটা শুনো – চিহ্নিত পদটি যে সমাসের উদাহরণ সেটি হল – (ক) বহুব্রীহি সমাস (খ) কর্মধারয় সমাস (গ) তৎপুরুষ সমাস (ঘ) অব্যয়ীভাব সমাস।

​১৩. ‘উপনগরী’ সমাসটি গড়ে উঠেছে – (ক) সাদৃশ্য অর্থে (খ) সামীপ্য অর্থে (গ) পশ্চাৎ অর্থে (ঘ) বীপ্সা অর্থে।

​১৪. মহাশয়ের কী করা হয় – এটি কোন বাচ্যের উদাহরণ? – (ক) কর্তৃবাচ্য (খ) কর্মবাচ্য (গ) ভাববাচ্য (ঘ) কর্মকর্তৃবাচ্য।

​১৫. যারা ওস্তাদ কলমবাজ তাঁদের বলা হয় ক্যালিগ্রাফিস্ট। – এটি কোন শ্রেণির বাক্য? – (ক) সরল বাক্য (খ) যৌগিক বাক্য (গ) জটিল বাক্য (ঘ) মিশ্র বাক্য।

​১৬. ‘তোরা সব জয়ধ্বনি কর’– এটি কোন বাচ্যের উদাহরণ? – (ক) কর্তৃবাচ্য (২) কর্মবাচ্য (গ) ভাববাচ্য (ঘ) কর্মকর্তৃবাচ্য।

​১৭. নির্দেশক বাক্যের একটি শ্রেণি হল – (ক) প্রশ্নবাচক বাক্য (খ) শর্তসাপেক্ষ বাক্য (গ) সন্দেহবাচক বাক্য (ঘ) নঞর্থক বাক্য

১৮. “শোনা মাত্র অমৃত ফতোয়া জারি করে দিল” – ‘ফতোয়া’ শব্দের অর্থ –

(ক) রায় (খ) চিৎকার (গ) দাবি (ঘ) প্রতিবাদ।

১৯. জগদীশবাবু বিরাগীজিকে প্রণামী দিতে চেয়েছিলেন –

(ক) এক হাজার টাকা (খ) পাঁচশো টাকা (গ) একশো এক টাকা (ঘ) একশো টাকা।

২০. “দয়ার সাগর! পরকে সেজে দি” – বক্তা হলেন –

(ক) নিমাইবাবু (খ) জগদীশবাবু (গ) অপূর্ব (ঘ) রামদাস।

২১. “বছরগুলো নেমে এল তার মাথার ওপর” – কীসের মতো? –

(ক) কাঁটার মতো (খ) রক্তের মতো (গ) পাথরের মতো (ঘ) হিমশৈলের মতো।

২২. “ছড়ানো রয়েছে কাছে দূরে!” কী ছড়ানো রয়েছে? –

(ক) শিশুদের শব (খ) কাঠ কয়লা (গ) আসবাবপত্র (ঘ) খাওয়া দাওয়া ।

২৩. "কাল ভয়ংকর বেশে... আসে” – (ক) প্রলয় (খ) সুন্দর (গ) কুৎসিত (ঘ) বিভীষিকা।

২৪. “খাগের কলম দেখা যায় ।” –

(ক) হালখাতার সময় (খ) হাতেখড়ির সময় (গ) নববর্ষের সময় (ঘ) সরস্বতী পূজোর সময়

২৫. Sensitized paper-এর সঠিক বাংলা অনুবাদ হলো –

(ক) সুগ্রাহী কাগজ (খ) সুবেদী কাগজ) (গ) স্পর্শকাতর কাগজ (ঘ) ব্যাথাপ্রবন কাগজ।

২৬. ‘কঙ্কাবতী’ ও ‘ডমরুধর’ – এর স্বনামধন্য লেখকের নাম– (ক) তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায় (খ) অন্নদাশঙ্কর রায় (গ) ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায় (ঘ) সত্যজিৎ রায়।

২৭. সূর্য উঠলে পদ্ম ফোটে। ‘সূর্য’ হলো –

(ক) অনুক্ত কর্তা (খ) উক্ত কর্তা (গ) নিরপেক্ষ কর্তা (ঘ) উপবাক্যীয় কর্তা।

২৮. কলমে কায়স্থ চিনি – চিহ্নিত পদটি –

(ক) অপাদান কারক (খ) কর্তৃ কারক (গ) কর্ম কারক (ঘ) করণ কারক

২৯. ‘শাপমুক্ত’ – সমস্ত পদটির সমাসের নাম –

(ক) করণ তৎপুরুষ (খ) অধিকরণ তৎপুরুষ (গ) কর্ম তৎপুরুষ (ঘ) অপাদান তৎপুরুষ

৩০. ‘সমাস’ শব্দের অর্থ হলো –

(ক) সংক্ষেপ (খ) বিস্তার (গ) সংস্কার (ঘ) সংক্রমণ।

৩১. যে বাক্যে কর্ম কর্তারূপে প্রতীয়মান হয়, তাকে বলে –

(ক) কর্মবাচ্য (খ) কর্মকর্তৃবাচ্য (গ) ভাববাচ্য (ঘ) কর্তৃবাচ্য।

৩২. ভাববাচ্যে প্রাধান্য পায় –

(ক) কর্তার ভাব (খ) কর্মের ভাব (গ) কর্মকর্তৃবাচ্যের ভাব (ঘ) ক্রিয়ার ভাব।

৩৩. নদীর জন্য এমনভাবে পাগলা হওয়া তার সাজে না। – গঠনগত দিক থেকে বাক্যটি হলো –

(ক) নির্দেশক বাক্য (খ) প্রার্থনাসূচক বাক্য (গ) আবেগসূচক বাক্য (ঘ) বিস্ময়বোধক বাক্য)।

৩৪. শর্তসাপেক্ষ বাক্য মাত্রই –

(ক) সরল বাক্য (খ) জটিল বাক্য (গ) যৌগিক বাক্য (ঘ) মিশ্র বাক্য)।

৩৫. ছোটোমাসি তপনের থেকে কত বছরের বড়ো – (ক) বছর পাঁচেকের(খ) বছর দশেকের (গ) বছর আষ্টেকের(ঘ) বছর বারোর

৩৬. হরিদা ছিলেন পেশায় একজন – (ক) চায়ের দোকানদার (খ) বহুরূপী (গ) বাইজি (ঘ) পুলিশ

৩৭. গিরিশ মহাপাত্রের চোখ দুটি ছিল – (ক) ধূর্ততায় ভরা (খ) উদাস (গ) নিষ্প্রভ (ঘ) গভীর জলাশয়ের মতো

৩৮. হেথা আমি বামাদল মাঝে। – ‘বামা’ শব্দের অর্থ – (ক) পুরুষ (খ) রাক্ষস (গ) নারী (ঘ) দেবী

৩৯. বধূদের যা তুলে ধরতে বলা হয়েছে তা হল – (ক) চাবুক (খ) মশাল (গ) প্রদীপ (ঘ) কৃপাণ

৪০. ‘পায়ে পায়ে হিমানীর বাঁধ’ – ‘হিমানী’ শব্দের আক্ষরিক অর্থ – (ক) জল (খ) আগুন (গ) তুষার (ঘ) পর্বত

৪১. লেখকরা হোমটাস্ক করতেন – (ক) শুকনো তালপাতায় (খ) কলাপাতায় (গ) পদ্মপাতায় (ঘ) শালপাতায়

৪২. আদিতে ফাউন্টেন পেনের নাম ছিল – (ক) ঝরনা কলম (খ) রিজার্ভার পেন (গ) পার্কার (ঘ) শেফার্ড।

৪৩. ‘হিমালয় যেন পৃথিবীর মানদণ্ড’ – কালিদাসের এই উক্তি কীসের উপযুক্ত – (ক) ভূগোলের (খ) কাব্যের (গ) বিজ্ঞানের (ঘ) ইতিহাসের।

৪৪. ‘দ্বন্দ্ব’ সমাসে অর্থ প্রাধান্য থাকে – (ক) পূর্বপদের (খ) উভয়পদের (গ) পরপদের (ঘ) অন্যপদের।

৪৫. ‘ভিতরে এসে বসা হোক’ – এই বাক্যটি যে বাচ্যের উদাহরণ – (ক) কর্মবাচ্য (খ) ভাববাচ্য (গ) কর্তৃবাচ্য (ঘ) কর্মকর্তৃবাচ্য।

৪৬. ‘হয়তো কাল থেকে বর্ষা নামতে পারে’ – কী জাতীয় বাক্য (ক) ইচ্ছা সূচক (খ) সন্দেহসূচক (গ) শর্ত সাপেক্ষ সূচক (ঘ) আবেগসূচক।

৪৭. ‘গিন্নি মা’ – এই সমাসবদ্ধ পদটির যথার্থ ব্যাসবাক্য হল – (ক) গিন্নির মা (খ) গিন্নি ও মা (গ) যিনি গিন্নি  তার মা (ঘ) যে গিন্নি সেই মা

৪৮. ধাতু বিভক্তির আর এক নাম – (ক) ক্রিয়া বিভক্তি (খ) শব্দ বিভক্তি (গ) নির্দেশক (ঘ) অনুসর্গ।

৪৯. সে যে বর্মায় এসেছে এ খবর সত্যি। – চিহ্নিত পদটি (ক) অধিকারক কারক (খ) নিমিত্ত কারক (গ) কর্তৃকারক (ঘ) কর্মকারক।

৫০. যখন সরস্বতী পূজা হয়, তখন খাগের কলম দেখা যায় – গঠন অনুসারে বাক্যটি (ক) সরল বাক্য (খ) জটিল বাক্য (গ) যৌগিক বাক্য (ঘ) মিশ্র বাক্য।

৫১. আসক্তির আর এক নাম (ক) যোগ্যতা (খ) আসক্তি (গ) অভিপ্রায় (ঘ) নৈকট্য

Post a Comment

Previous Post Next Post